পুজো আর লম্বা উইকএন্ডের আউটস্টেশন গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায় — তারিখটা এখনই ধরে রাখুন

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট · দমদম

এই বেল্টেই আমাদের বাড়িআর আপনার ফ্লাইট আমরা দেখি

সোদপুর থেকে ভোর ৪টার পিকআপ আর দমদমে রাত ১টার ল্যান্ডিং — এই দুটো ট্রিপই আমরা সবচেয়ে বেশি করি। বেরোনোর আগে ফ্লাইট দেখে নিই, ড্রাইভার আগে পৌঁছে যায়, আর যে অ্যামাউন্ট বলা হয়েছিল সেটাই দিতে হয় — ফ্লাইট লেট হলে বিল বেড়ে যায় না।

  • পিকআপের আগে ফ্লাইট ট্র্যাক
  • রাত ২টায়ও বাড়তি চার্জ নেই
  • আগের রাতেই ড্রাইভারের তথ্য
কলকাতা এয়ারপোর্টে নাম-লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে পিকআপের হাতে-আঁকা ছবি
টার্মিনাল গেট, ভোর ৪টা, আগেই অপেক্ষায়

ট্রিপটা জানান

দামটা লিখিতভাবে নিন

একটা মেসেজ, আর সব মিলিয়ে মোট অঙ্ক WhatsApp-এ — সাধারণত মিনিটেই। টাকা নয়, বাধ্যবাধকতা নয়, কল-সেন্টারের চক্কর নয়।

আপনার কী দরকার?
কত দিনের
  • এখন টাকা নয়
  • বিরক্তিকর ফোন নয়
  • যখন খুশি বাতিল

আমাদেরটা আলাদা কেন

এয়ারপোর্টে যা যা ভুল হয়

এই বেল্টে এয়ারপোর্ট নিয়ে প্রায় সব অভিযোগ চারটে জিনিসেই আটকে থাকে। ঠিক সেগুলো ধরেই আমরা সার্ভিসটা সাজিয়েছি।

ফ্লাইট আমরা দেখি, আপনাকে ফোন করতে হয় না

ফ্লাইট নম্বর দিন, গাড়ি ছাড়ার আগে স্ট্যাটাস দেখে নিই। আগে নামুক বা দু’ঘণ্টা লেট হোক, পিকআপ সেই অনুযায়ী সরে যায় — লাগেজ বেল্ট থেকে ফোন করতে হয় না।

অ্যারাইভালে মিট অ্যান্ড গ্রিট

অতিথি, বয়স্ক বাবা-মা বা প্রথমবার ফ্লাইটে ওঠা কারও জন্য ড্রাইভার নাম লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে অ্যারাইভাল গেটে দাঁড়ায় — “বাইরে কোথাও আছি” মেসেজ নয়।

রাতে বা উৎসবে সার্জ নেই

রাত ৩টা, বৃষ্টি বা লং উইকএন্ড — আমাদের কোটেশন এতে বদলায় না। অ্যাপ-ক্যাবের দাম বদলায়, আপনার অ্যামাউন্ট কনফার্মের সময়েই ফিক্সড।

লাগেজে সাহায্য, ডিকি নিয়ে ঝগড়া নয়

জিজ্ঞেস করার সময় ব্যাগের সংখ্যা বলে দিন। চারটে সুটকেস সেডানে না ঢুকলে সেটা আগেই বলি, আর ঠিক গাড়িটার কোটেশন দিই।

শুধু ম্যাপ নয়, টার্মিনালটা চিনি

কোন গেটে দাঁড়াতে হবে, পার্কিং ওয়েটিং কোথায় কম, শুক্রবার সন্ধ্যায় এক্সিট কিউ কত লম্বা — এটা লোকাল অভিজ্ঞতা, জিপিএস নয়।

শুরু থেকে শেষ, একজনই

আপনি একজন মানুষকে মেসেজ করেন, সেই একজনই ট্রিপটা শেষ পর্যন্ত দেখে। টিকিট নম্বর নেই, কল সেন্টার নেই, বারবার নতুন করে বলতে হয় না।

কোটেশনে কী থাকে

স্ট্রাকচার, আগেই বলা

আমরা ভাড়া পাবলিশ করি না, কিন্তু নম্বরের ভিতরে কী আছে সেটা নিয়ে আপনার ধন্দ থাকা উচিত নয়। প্রতিটি এয়ারপোর্ট কোটেশনের চেহারা এটাই।

প্রতিটি কোটেশনে ধরা আছে

  • পুরো ট্রিপের গাড়ি আর ড্রাইভার
  • তেল
  • ফ্লাইট ট্র্যাকিং আর ফ্রি উইন্ডোর মধ্যে ওয়েটিং
  • বললে নাম লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিট অ্যান্ড গ্রিট
  • লাগেজ তোলা-নামানোয় সাহায্য
  • প্রযোজ্য জিএসটি, আলাদা করে দেখানো

আলাদা লাগবে, আগেই বলে দেওয়া হয়

  • এয়ারপোর্ট পার্কিং ও এন্ট্রি চার্জ
  • রুটের টোল
  • ফ্রি উইন্ডোর পরের ওয়েটিং — যে রেট ট্রিপের আগে বলা হয়েছে
  • সেদিন যোগ করা বাড়তি স্টপ

আমরা রেট কার্ড থেকে নয়, প্রতিটি ট্রিপ ধরে কোটেশন দিই — তাই লিখিতভাবে একটাই অল-ইনক্লুসিভ অ্যামাউন্ট পান। উপরের বাইরে কিছু আপনার সম্মতি ছাড়া পরে যোগ হয় না।

কীভাবে চলে

জিজ্ঞেস থেকে অ্যারাইভাল গেট

  1. 1

    ফ্লাইট আর পিকআপ পাঠান

    ফ্লাইট নম্বর, তারিখ, সময় আর পিকআপ বা ড্রপের ঠিকানা। একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজই যথেষ্ট।

  2. 2

    লিখিতভাবে পান

    সাধারণত কয়েক মিনিটেই অল-ইনক্লুসিভ অ্যামাউন্ট আর প্রস্তাবিত গাড়ির নাম ফিরে যায়।

  3. 3

    ড্রাইভারের তথ্য পৌঁছে যায়

    নাম, মোবাইল নম্বর আর গাড়ির নম্বর আগের রাতেই — সেম-ডে ট্রিপ হলে সঙ্গে সঙ্গেই।

  4. 4

    ফ্লাইট বুঝে আমরা সরে যাই

    গাড়ি ছাড়ার আগে স্ট্যাটাস আবার দেখি, তাই আগে নামা বা দু’ঘণ্টা দেরি আমাদের সমস্যা, আপনার নয়।

এয়ারপোর্ট প্রশ্ন

প্রতি সপ্তাহে জিজ্ঞেস করা হয়

ফ্লাইট তিন ঘণ্টা লেট হলে কী হবে?

আপনার জন্য কিছুই বদলায় না। আমরা ফ্লাইট ট্র্যাক করে গাড়ি পাঠাই। ফ্রি উইন্ডোর ওয়েটিং ধরা আছে; তার পরের ওয়েটিং ট্রিপের আগেই বলে দেওয়া রেটে — পরে বানানো হয় না।

ড্রাইভার নাম লেখা বোর্ড নিয়ে ভিতরে দাঁড়াতে পারবে?

হ্যাঁ — বুকিংয়ের সময় মিট অ্যান্ড গ্রিট চেয়ে নিন, ড্রাইভার প্ল্যাকার্ড নিয়ে অ্যারাইভাল গেটে দাঁড়াবে। একা আসা বাবা-মা বা বিয়ের অতিথিদের জন্য বেশিরভাগ লোক এটাই নেন।

রাত ২টার পিকআপে বেশি নেন?

না। রাতের সার্জ নেই, উৎসবের সার্জও নেই। বুকিংয়ের সময় যা কনফার্ম হয়েছে, সেটাই দিতে হয়।

ভোরের ফ্লাইটের জন্য কত আগে বুক করা উচিত?

ব্যারাকপুর, সোদপুর, খড়দহ থেকে ভোর ৪–৭টার স্লট আমাদের সবচেয়ে ব্যস্ত। একদিন আগে হলে ভালো; পুজো আর বিয়ের সিজনে আরও আগে বলুন।

কোন কোন জায়গা থেকে পিকআপ করেন?

ব্যারাকপুর, সোদপুর, খড়দহ, পানিহাটি, টিটাগড়, নিউ ব্যারাকপুর, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া, বারাসত, দমদম, সল্টলেক, নিউ টাউন — আর বললে বৃহত্তর কলকাতা।

তবুও দ্বিধা? তারিখটা পাঠিয়েই দিন — না পারলে সোজা বলে দেব

এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার

ফ্লাইট নম্বর পাঠান, দাম জেনে নিন

দাম জানতে কোনও পেমেন্ট লাগে না, জেনে নেওয়ার পরেও কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। আপনার স্লট আমরা না পারলে আটকে না রেখে সোজা বলে দিই।